Monday, December 28, 2009

MONEYBOOKER VERIFICATION LETTER





      অনেকেই আমার কাছে জানতে চেয়েছেন যে মানিবুকারসে সবকিছু ঠিকমত সাবমিট করে একাউন্ট খুলার পরও এড্রেসস ভেরিফাই লেটার এর জন্য এপ্লাই করেও ভেরিফিকেশন লেটার পায়নি কেন? তাদের জন্য আমার এই পোষ্টটি লেখা।আসলে সবার আগে আপনারা সবাই ঠিকমত এড্রেসস সাবমিট করেছেন কিনা সেটা চেক করেন। সবঠিক থাকলে ১৫-২০ দিন  এর মধ্যে অব্যশই পেয়ে যাবেন। আর যদি তারপর ও না পান তবে কাছের পোষ্ট অফিস এ খোজ করেন।  

  


উপরে আমার মানিবুকারস এর ইমেজ কপি দিয়ে দিলাম আপনাদের সুবিধার জন্য।

                               

Saturday, December 26, 2009

HTML LANGUAGE LEARNING



 HTML হলো ওয়েব প্রেজেন্টেশনের ক্ষেত্রে ওয়েব ডকুমেন্ট লেখার একটি কম্পিউটার ল্যাঙ্গুয়েজ।HTML শুরু করার পূর্বে HTML ফাইল এর ধরন সম্পর্কে ধারনা থাকা দরকার।HTML দিয়ে লিখিত ডকুমেন্ট একটি প্লেইন টেক্সট, যা দুটি জিনিস ধারণ করে –  

১ ডকুমেন্ট text  
2 HTML Tag 

·  ডকুমেন্ট text  হলো topics এর বিষয় যা HTML Tag এর ভিতর থাকে। 
·  HTML Tag গুলো বিষয়বস্তু এবং অন্য ডকুমেন্ট এর সাথে হাইপার টেক্সট লিঙ্ক নির্দেশ করে।
HTML  ডকুমেন্ট এর প্রধানত দুটি অংশ থাকে। 
·  Head Section 
·  Body Section. 

HTML এর সম্পুর্ন ডকুমেন্টটি দুইটি ট্যাগ এর ভিতর থাকে।
<Html> 
........................... 
</Html>     
এই ট্যাগ দুটির মধ্যেই থাকতে হবে।এই ট্যাগ দুটির মধ্যেই Head এবং Body section এর অবস্থান। 
Head section টা মূলত ডকুমেন্ট এর Title এবং তথ্য দেয়া থাকে। Head section সবসময় <Html>ট্যাগ এর পর শুরু হয়।  
Head section এর সম্পুর্ন ডকুমেন্টটি দুইটি ট্যাগ এর ভিতর থাকে।
     <Head>
     ...............
     </Head>

Head section এর কাজ শেষ হলে এরপর আসে Body section এর কাজ, যা একটি ওয়েব সাইট এর সম্পুর্ন অংশ।এখানে টেক্সট,গ্রাফিক্স মাল্টিমিডিয়া ইত্যাদি এর কাজ।এবং এই অংশতেই টেক্সট ফরমেটিং সহ বিভিন্ন ডকুমেন্ট এর মধ্যে Hyperlink সংযোগের কাজ করা হয়।
Body section সবসময় Head section এর কাজ শেষে মানে </Head> এর পর শুরু হয়। Body section এর সম্পুর্ন ডকুমেন্টটি ও দুইটি ট্যাগ এর ভিতর থাকে।
     <Body>
     ...............
     </Body>
নিম্মের structure টি লক্ষ্য করুন – 
<HTML> 

<Head> 

</Head> 
<Body> 

</Body>
</HTML>
এটাই হল HTML এর বেসিক structure.

OPERATING SYSTEM - UBUNTU ULTIMATE

উবুন্তু আল্টিমেট


আমরা সাধারন কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা সবসময়ই একটা বড় সমস্যায় থাকি এবং সেটা হল ভাইরাস সমস্যা।এই সমস্যার কারনে প্রায়ই আমাদের এক্সপি সেটআপ দিতে হয়; আর এই সেটআপ এর কারনে কম্পিউটারের স্পীড অনেক কমে যায়। অবশ্য এই সমস্য হয় যারা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে তাদের বেশি হয়।

আমরা সধারনত লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করিনা।কিন্তু লিনাক্স ব্যবহার করার অন্যতম সুবিধা হল এতে ভাইরাস দারা আক্রান্ত হবার শঙ্কা একদমই নাই।কিন্তু এর একটি অন্যতম অসুবিধা হলো ইন্সটল করা এবং প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার না পাওয়া।এই সব সমস্যা কাটিয়ে অবশ্য লিনাক্স এর একটি ভারসন বাজার এসেছে।তার নাম হলো উবুন্তু।
উবুন্তুর নামটির সাথে এখন অনেকেই পরিচিত উবুন্তু এর ফ্রী ডিস্ট্রিবিউসন এর জন্য।উবুন্ততুর সবচেয়ে লেটেস্ট ভারসন হলো উবুন্তু ৯.১০।উবুন্তু যেকোন ভারসন এ শুধু অপারেটিং সিস্টেম দেয়া থাকে।আর কোন সফটওয়্যার দেয়া থাকে না।সব কোডেক গুলো দেয়া থাকে না।কোডেক গুলো ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করতে হয়।যা খুব ঝামেলা পুর্ন।তাছাড়া অনেক মডেমের ড্রাইভার দেয়া থাকেনা বলে মডেম ব্যবহার করা যায় না।তাই উবুন্তু ব্যবহার থেকে অনেকেই দূরে চলে যান।
                                     
                                







বাংলাদেশে উবুন্তু ব্যবহার জনপ্রিয় করার লক্ষে উবুন্তু বাংলাদেশ ফোরাম উবুন্তুর একটি বিশেষ ভারসন তৈরি করেছেন এবং এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এর সাথে সবধরনের কোডেক দেয়া থাকে।যার জন্য নতুন করে কোন কোডেক ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করতে হয় না।শুধু ইন্সটল করুন এবং উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম আর মত করে অবিকল ব্যবহার করুন।
উবুন্তুর এই বিশেষ ভারসন এর নাম হল উবুন্তু আল্টিমেট।এটি লিনাক্স এর ২.৬৮ ভারসন এর কা্র্ণেল এর উপর এডিট করে বানানো হয়েছে।কিন্তু এটি সহজলভ্য নয় এখনো।পরিচিত কারো কাছে না থাকলে পাওয়া যায় না।

তবে আপনারা চাইলে আমার কাছ থেকে নিতে পারেন উবুন্তু আল্টিমেট।আমাকে ই-মেইল করুন।আমি আপনাদের কাছে পাঠিয়ে দিব।

ই-মেইল – dipu_mbstu@yahoo.com

Friday, December 25, 2009

C LANGUAGE LEARNING

বাংলাদশ আমাদের প্রিয় জন্মভুমি।আমরা সবসময় আমাদের দেশ কে উন্নত করতে চাই।কিন্তু আমারা জানি আমরা সব্ দিক থেকে পিছিয়ে আছি।এখন আমরা সবাই জানি বাংলাদেশ যদি উন্নত করে তবে শুধু তথ্য প্রযুক্তি দিক থেকে সবার আগে উন্নত করতে হবে।এক্ষেত্রে আমারা খুব সহজেই কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এর মাধ্যমে এগেয়ে যেতে পারি শুধু আমাদের মেধা খাটিয়ে।

কম্পিউটার প্রোগ্রামিং মুলত প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এর মাদ্ধমে করতে হয়।পৃথিবীতে অনেক প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ রয়েছে।কিন্তু যারা কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এর বিষয় এর উপর কেরিয়ার করতে চাই বা পড়ালেখা করতে চাই। তাদের প্রোগ্রামিং হাতে খড়ি হয় সাধারনত সি ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে।
আমার এই ব্লগ থেকে আপনারা বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ শিখতে পারবেন।
প্রথমেই আপনারা সি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ শিখতে পারবেন।সি ল্যাঙ্গুয়েজ সম্বন্ধে জানতে পারবেন।

আশা করি আপনারা খুব শিঘ্রি সি ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে প্রোগ্রামিং করতে পারবেন।

ONLINE PAYMENT SYSTEM - MONEYBOOKER

মানিবুকারস (www.MoneyBookers.com) হচ্ছে ইউরোপের একটি অন্যতম প্রধান অনলাইনে অর্থ লেনদেনের প্রতিষ্ঠান। ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই প্রতিষ্ঠানটির দ্রুত উন্নতি ঘটছে। এর বার্ষিক লেনদেনের পরিমাণ ৩৫০ কোটি ইউরোর উপরে। ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠানটি আগের বছরের তুলনায় দিবগুণ লাভ করেছে, যা একে বিশ্বের একটি সফল অর্থ লেনদেনের প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে। বর্তমানে মানিবুকারসের নববই লাখ অ্যাকাউন্ট হোল্ডার রয়েছে। এটি বাংলাদেশসহ বিশ্বের দুই শয়েরও বেশি দেশে ৮০ ধরনের অর্থ লেনদেনের সুবিধা দেয়। ৪৫ হাজারেরও বেশি মার্চেন্ট প্রতিষ্ঠান মানিবুকারসের মাধ্যমে অনলাইনে সার্ভিস দিয়ে থাকে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে eBay.com, Skype.com, GetAFreelancer.com, MochiMedia.com এবং ThemeForest.com। মানিবুকারস কতটা জনপ্রিয় তার একটি দৃষ্টান্ত হচ্ছে, বর্তমানে প্রতিদিন ১২ হাজারের ওপর নতুন ব্যবহারকারী মানিবুকারসে রেজিস্ট্রেশন করে।



মানিবুকারসকে ধরা হয় পেপালের প্রধান বিকল্প হিসেবে। বিশেষ করে যেসব দেশে পেপালের কোনো সার্পোট নেই, সেসব দেশের জন্য মানিবুকারস একটি আদর্শ মাধ্যম। এটি পেপালের মতোই নিরাপদ, দ্রুত ও সাশ্রয়ী অর্থ লেনদেনের পদ্ধতি। এর মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী থেকে অপর আরেকজনের কাছে মূহুর্তের মধ্যে অর্থ লেনদেন করা যায়। এতে খরচ পড়ে সর্বোচ্চ ০.৫ ইউরো। অর্থ লেনদেনের জন্য প্রাপকের নাম বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট কিছুই জানার প্রয়োজন নেই। শুধু তার ই-মেইল ঠিকানাটিই যথেষ্ট। মানিবুকারস দিয়ে খুব সহজেই ২০ হাজারের ওপর ইকমার্স ওয়েবসাইট থেকে অনলাইনে কেনাকাটা করা যায়। মানিবুকারসকে আপনার ওয়েবসাইটের সাথে যুক্ত করে আপনি নিজেই একটি ই-কমার্স সাইট চালু করতে পারবেন। বর্তমানে বেশিরভাগ ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে মানিবুকারস সাপোর্ট করে। এক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে কম খরচ পড়ে, মাত্র ১.৯%। ফ্রিল্যান্সিং সাইট ছাড়া কোনো ব্যক্তি থেকে অর্থ গ্রহণের জন্য কোনো ফি দিতে হয় না। মানিবুকারসের অ্যাকাউন্ট থেকে নিজের ব্যাংকে টাকা নিয়ে আসতে মাত্র ২.৬৫ ডলার খরচ পড়ে।

রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি

মানিবুকারসে রেজিস্ট্রেশন খুবই সহজ তা কয়েক মিনিটের মধ্যেই সম্পন্ন হয়ে যায়। তবে মানিবুকারসের পুরো সুবিধা পেতে হলে কয়েকটি বিষয় নিশ্চিত করতে হবে। মানিবুকারসের নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য এটি প্রত্যেক ব্যবহারকারীকে তিনটি পদ্ধতিতে যাচাই করে থাকে। এগুলো হচ্ছে- ঠিকানা যাচাই, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যাচাই এবং ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড যাচাই। তৃতীয় পদ্ধতিটি হচ্ছে ঐচ্ছিক, তবে প্রথম দু’টি অবশ্যই সম্পন্ন করতে হবে।

ঠিকানা নিশ্চিত করা

লগইন করার পর My Account পৃষ্ঠায় Account Status অংশ থেকে Address Verify লিঙ্কে ক্লিক করুন। পরবর্তী পৃষ্ঠায় আপনার ঠিকানাটি দেখাবে, এরপর ‘Send me a verification letter’ বাটনে ক্লিক করুন। মানিবুকারস আপনার ঠিকানায় একটি চিঠি পাঠাবে। চিঠিটি আসতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। চিঠিতে আপনাকে ছয়টি সংখ্যার একটি কোড পাঠানো হবে। কোডটি পাবার পর সাইটে লগইন করে ‘My Account’ → ‘Profile’ পৃষ্ঠায় গিয়ে আপনার ঠিকানার পাশের ‘Verify’ লিঙ্কে ক্লিক করুন। সেই কোডটি জমা দিন। এরপর যেকেউ আপনি মানিবুকারসের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন শুরু করতে পারবেন।

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যোগ করা

মানিবুকারস থেকে আপনার ব্যাংকে অর্থ তুলতে হলে My Account থেকে প্রথমে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যোগ করে নিন। এক্ষেত্রে আপনার ব্যাংকের SWIFT কোড, ব্যাংকের ঠিকানা, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নাম্বার ইত্যাদি দিতে হবে। মানিবুকারসে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যোগ করার সাথে সাথে আপনি ব্যাংকে অর্থ তুলতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে মানিবুকারস আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি যাচাই করতে বলবে। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যাচাই করার জন্য ব্যবহারকারীর ব্যাংক থেকে মানিবুকরসের অ্যাকাউন্টে সামান্য পরিমাণ অর্থ (৫ থেকে ১০ ডলার) পাঠাতে হয়। তবে বাংলাদেশের আইনের জন্য কোনো ব্যাংক থেকেই মানিবুকারসে কোনো টাকা পাঠাতে পারবেন না। এক্ষত্রে নিচের পদ্ধতিটি অনুসরণ করতে হবে :

০১.
কোনো ফ্রিল্যান্সিং সাইট থেকে অর্থ পাবার পর মানিবুকারস দিয়ে একবার উত্তোলন করুন। ব্যাংক
অ্যাকাউন্ট যাচাই না করেও আপনি দুইবার অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন। এজন্য লগইন করে Withdraw লিঙ্কে ক্লিক করুন।

০২.
টাকা ব্যাংকে জমা হবার পর ব্যাংক থেকে বিগত ছয় মাসের একটি ব্যাংক স্টেটমেন্ট চেয়ে নিন।

০৩.
ব্যাংক স্টেটমেন্টের মধ্যে মানিবুকারস থেকে আপনি যে অর্থ পেয়েছেন তার তারিখ এবং ডলারের পরিমাণ দেখতে পাবেন। কিন্তু এই ডলার কার কাছ থেকে এসেছে, তা উল্লেখ থাকবে না। এজন্য আপনাকে ওই লেনদেনের SWIFT Transaction নামের আরেকটি কাগজ সংগ্রহ করতে হবে। সাধারণত ব্যাংক এ কাগজ আপনাকে দিতে চাইবে না। কিন্তু আপনি যদি পুরো বিষয়টি তাদের বুঝিয়ে বলতে পারেন, তাহলে তারা আপনাকে কাগজটির ফটোকপি দিতে সম্মত হবে। প্রকৃতপক্ষে আপনি যে ঘরে বসে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছেন, তা জানতে পারলে তারা খুশি হয়েই আপনাকে সাহায্য করবে।

০৪.
ব্যাংকের যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে কাগজগুলো সত্যায়িত করার পর এগুলোকে স্ক্যান করে কমপিউটারে নিয়ে নিন। সাথে আপনার পাসপোর্টও স্ক্যান করে নিন।

০৫.
এরপর merchantservices@moneybookers.com ঠিকানায় ই-মেইল অ্যাটাচমেন্ট করে এগুলো পাঠিয়ে দিন। ই-মেইলের Subject হিসেবে Manual Bank Account Verification উল্লেখ করুন এবং তাদের জানিয়ে দিন বাংলাদেশ থেকে যেহেতু কোনো টাকা মানিবুকারসে পাঠানো সম্ভব নয়, তাই আপনি ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং সংশ্লিষ্ট কাগজের স্ক্যানকপি ই-মেইলের সাথে পাঠাচ্ছেন। তারা যেন Manually আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যাচাই করে নেয়।

০৬.
ই-মেইল পাঠানোর ১ থেকে ২ সপ্তাহের মধ্যে আপনি মানিবুকারস থেকে ই-মেইল পাবেন। সবকিছু উপরে উল্লিখিত নিয়ম অনুযায়ী করতে পারলে মানিবুকারস কর্তৃপক্ষ আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি নিশ্চিত করে নেবে। এরপর আপনি মানিবুকারসের সব সুবিধা নিরবচ্ছিন্নভাবে উপভোগ করতে পারবেন।

ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড যোগ করা

যাদের ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড রয়েছে তারা ইচ্ছে করলে মানিবুকারসে কার্ডটি যোগ করে কার্ডের টাকা মানিবুকারসে নিয়ে যেতে পারবেন। বর্তমানে অনেকেরই পেওনার প্রদত্ত ডেবিট মাস্টারকার্ড রয়েছে। এই কার্ডের বিভিন্ন সুবিধা রয়েছে। তবে এই কার্ডের টাকাকে শুধু এটিএম থেকে ক্যাশ হিসেবে তোলা হয়, ব্যাংকের সাথে এর কোনো যোগাযোগ নেই। আপনি যদি কার্ডের টাকাকে আপনার ব্যাংকে জমা রাখতে চান, তাহলে এটিএম থেকে টাকা নিয়ে ব্যাংকে গিয়ে জমা দিতে হবে। এটিএম থেকে এক দিনে একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের বেশি অর্থ তুলতে পারবেন না। ফলে বড় অঙ্কের অর্থের ক্ষেত্রে কয়েকদিনে টাকা জমা দিতে হবে, যা ঝামেলাপূর্ণ ও নিরাপদও নয়। মানিবুকারসের মাধ্যমে সে কাজ ঘরে বসে কয়েকটি ক্লিকের মাধ্যমেই করা যাবে। এজন্য প্রথমে মাস্টারকার্ডটি মানিবুকারসে যোগ করুন। কার্ডটি সঠিকভাবে যাচাই হবার পর উপরের মেনু থেকে Upload Funds লিঙ্কে ক্লিক করে Credit Card অপশনটি সিলেক্ট করুন। এরপর আপনার কার্ডের পেছনে লেখা তিনটি সংখ্যার CVV2 কোড দিন এবং কত টাকা কার্ড থেকে মানিবুকারসে নিতে চান তা উল্লেখ করুন। Next বাটনে ক্লিক করার সাথে সাথেই কার্ড থেকে মানিবুকারসের অ্যাকাউন্টে টাকা জমা হয়ে যাবে। এরপর মেনু থেকে Withdraw লিঙ্কে ক্লিক করে এই টাকা আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠান। কার্ড থেকে মানিবুকারসে টাকা আনতে ১.৯% চার্জ যুক্ত হবে, যা মাস্টারকার্ডের মাধ্যমে টাকা তোলার চেয়ে সাশ্রয়ী। কারণ, পেওনারের মাস্টারকার্ড থেকে এটিএম-এর মাধ্যমে প্রতিবার টাকা তুলতে ৩% চার্জ দিতে হয়।

মানিবুকারসের এত সুবিধার মধ্যে এর একটি বড় ধরনের অসুবিধা রয়েছে, যে কারণে এটি পেপালের চেয়ে বেশি জনপ্রিয় হতে পারছে না। এটি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে মানিবুকারসের কোনো সার্ভিস নেই। যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান মানিবুকারসে রেজিস্ট্রেশন করতে পারে না। যে সব ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস বা ই-কমার্স সাইট যুক্তরাষ্ট্র থেকে পরিচালিত হচ্ছে সেগুলো মানিবুকারসের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস দিতে পারে না।
মানিবুকারসে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যুক্ত করে তা যাচাই করাটা প্রথম দিকে একটু ঝামেলাপূর্ণ। কিন্তু একবার যাচাই হয়ে গেলে মানিবুকারসের কল্যাণে অনলাইনে অর্থ লেনদেনের একটি বিশাল ক্ষেত্র আপনার সামনে উন্মোচিত হয়ে যাবে। যা দিয়ে অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং, ই-কমার্স সাইট তৈরি, অনলাইনে কেনাকাটা ইত্যাদি অসংখ্য কাজে মানিবুকারসকে ব্যবহার করতে পারবেন। বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সাররা তাদের পরিচিত ক্লায়েন্টের কাছ থেকে এই পদ্ধতিতে কোনো খরচ ছাড়াই সরাসরি অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন (যুক্তরাষ্ট্রের ক্লায়েন্ট ব্যতীত)। মানিবুকারস একদিকে যেমন সাশ্রয়ী, অন্যদিকে নিরাপদ এবং ঝামেলাহীন অনলাইন লেনদেনের মাধ্যম।



ফিডব্যাক : dipu.mbstu07@gmail.com

ONLINE PAYMENT SYSTEM - ALERT PAY


এলার্ট পেয়ে (www.alertpay.com) হচ্ছে কাণাডার একটি অন্যতম প্রধান অনলাইনে অর্থ লেনদেনের প্রতিষ্ঠান। ২০০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই প্রতিষ্ঠানটির দ্রুত উন্নতি ঘটছে। বর্তমানে এলার্ট পেয়ে তে ত্রিশ লাখ অ্যাকাউন্ট হোল্ডার রয়েছে। এটি বাংলাদেশসহ বিশ্বের একশ নব্বই এর বেশি দেশে ২১ ধরনের অর্থ লেনদেনের সুবিধা দেয়।এলার্ট পেয়ে এর সাথে প্রায় ৪৬টি দেশের ব্যাংক এর সাথে চুক্তি রয়েছে।


এলার্ট পেয়ে কে ধরা হয় পেপালের প্রধান বিকল্প হিসেবে। বিশেষ করে যেসব দেশে পেপালের কোনো সার্পোট নেই, সেসব দেশের জন্য এলার্ট পেয়ে একটি আদর্শ মাধ্যম।এটি পেপালের মতোই নিরাপদ, দ্রুত সাশ্রয়ী অর্থ লেনদেনের পদ্ধতি। এর মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী থেকে অপর আরেকজনের কাছে মূহুর্তের মধ্যে অর্থ লেনদেন করা যায়। এতে খরচ পড়ে সর্বোচ্চ ৪ ডলার। অর্থ লেনদেনের জন্য প্রাপকের নাম বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট কিছুই জানার প্রয়োজন নেই।শুধু তার -মেইল ঠিকানাটিই যথেষ্ট। এলার্ট পেয়ে দিয়ে খুব সহজেই ২০ হাজারের ওপর ইকমার্স ওয়েবসাইট থেকে অনলাইনে কেনাকাটা করা যায়। বর্তমানে বেশিরভাগ ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে এলার্ট পেয়ে সাপোর্ট করেএক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে কম খরচ পড়ে, মাত্র .%। ফ্রিল্যান্সিং সাইট ছাড়া কোনো ব্যক্তি থেকে অর্থ গ্রহণের জন্য কোনো ফি দিতে হয় না এলার্ট পেয়ে অ্যাকাউন্ট থেকে নিজের ব্যাংকে টাকা নিয়ে আসতে মাত্র ডলার খরচ পড়ে।


রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি

এলার্ট পেয়ে তে রেজিস্ট্রেশন খুবই সহজ তা কয়েক মিনিটের মধ্যেই সম্পন্ন হয়ে যায়। তবে পুরো সুবিধা পেতে হলে কয়েকটি বিষয় নিশ্চিত করতে হবে।এলার্ট পেয়ে নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য এটি প্রত্যেক ব্যবহারকারীকে দুইটি পদ্ধতিতে যাচাই করে থাকে।এগুলো হচ্ছে- ঠিকানা যাচাই, পরিচয় যাচাই


ঠিকানা নিশ্চিত করা

লগইন করার পর Home পৃষ্ঠায় Personal Starter Unverified অংশ থেকে (Check your verification status)লিঙ্কে ক্লিক করুন পরবর্তী পৃষ্ঠায় আপনাকে দেখাবে, দুইটি অংশ।একটি হল যেকোনো পরিচয় পত্র দিতে হবে।আর একটি হল যেকোনো ঠিকানা যাচাই পত্র,যেমন গত তিন মাসের ব্যাংক স্টেটমেণ্ট দিতে হবে।সবগুলোই সফটকপি দিতে হবে।ব্যস আপনি এখন থেকে যেকোনো লেনদেন করতে পারবেন।








ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড যোগ করা

যাদের ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড রয়েছে তারা ইচ্ছে করলে কার্ডটি যোগ করে কার্ডের টাকা এলার্ট পেয়েতে নিয়ে যেতে পারবেন বর্তমানে অনেকেরই পেওনার প্রদত্ত ডেবিট মাস্টারকার্ড রয়েছে এই কার্ডের বিভিন্ন সুবিধা রয়েছে।তবে এই কার্ডের টাকাকে শুধু এটিএম থেকে ক্যাশ হিসেবে তোলা হয়, ব্যাংকের সাথে এর কোনো যোগাযোগ নেই আপনি যদি কার্ডের টাকাকে আপনার ব্যাংকে জমা রাখতে চান, তাহলে এটিএম থেকে টাকা নিয়ে ব্যাংকে গিয়ে জমা দিতে হবে।এটিএম থেকে এক দিনে একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের বেশি অর্থ তুলতে পারবেন না ফলে বড় অঙ্কের অর্থের ক্ষেত্রে কয়েকদিনে টাকা জমা দিতে হবে, যা ঝামেলাপূর্ণ নিরাপদও নয়এলার্ট পেয়ের মাধ্যমে সে কাজ ঘরে বসে কয়েকটি ক্লিকের মাধ্যমেই করা যাবে এজন্য প্রথমে মাস্টারকার্ডটি এলার্ট পেয়েতে যোগ করুন কার্ডটি সঠিকভাবে যাচাই হবার পর উপরের মেনু থেকে Upload Funds লিঙ্কে ক্লিক করে Credit Card অপশনটি সিলেক্ট করুন এরপর আপনার কার্ডের পেছনে লেখা তিনটি সংখ্যার CVV2 কোড দিন এবং কত টাকা কার্ড থেকে এলার্ট পেয়েতে নিতে চান তা উল্লেখ করুনNext বাটনে ক্লিক করার সাথে সাথেই কার্ড থেকে এলার্ট পেয়ের অ্যাকাউন্টে টাকা জমা হয়ে যাবে এরপর মেনু থেকে Withdraw লিঙ্কে ক্লিক করে এই টাকা আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠান কার্ড থেকে এলার্ট পেয়েতে টাকা আনতে .% চার্জ যুক্ত হবে, যা মাস্টারকার্ডের মাধ্যমে টাকা তোলার চেয়ে সাশ্রয়ী কারণ, পেওনারের মাস্টারকার্ড থেকে এটিএম-এর মাধ্যমে প্রতিবার টাকা তুলতে % চার্জ দিতে হয়।

বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সাররা তাদের পরিচিত ক্লায়েন্টের কাছ থেকে এই পদ্ধতিতে কোনো খরচ ছাড়াই সরাসরি অর্থ গ্রহণ করতে পারবেনএলার্ট পেয়ে একদিকে যেমন সাশ্রয়ী, অন্যদিকে নিরাপদ এবং ঝামেলাহীন অনলাইন লেনদেনের মাধ্যম।



ফিডব্যাক : dipu.mbstu07@gmail.com